The Pioneers Of Progress: Jinnat Ul Ferdous

Being a Pathao rider, I meet many kinds of people. While communicating with them, I get to know about the outlook and mind-set of each and every user. There’s a vast scope of learning new things.

*Name: Jinnat Ul Ferdous
*Hometown: Dhaka

Tell us something about yourself

I have grown up in Dhaka. My father used to work in Dhaka University. Currently, I am working in the marketing department of a company. My family consists of four members. Besides my job, I share rides with Pathao.

How has Pathao brought changes in your life?

When I didn’t have my own motorcycle, like everyone else, I had to stay gridlocked during traffic jams. Not only did it waste my time, but it also hampered my work. Whenever bikers passed by me, I would look at them longingly. I wished that they would say, “Come on brother, let me drop you off to your destination.” I bought a motorcycle as soon as I could afford it. Wherever I went, I tried to help anyone who was stranded on the streets. “Come on, I’m also going towards that area. Let me drop you off,” I used to say. Most of the time, people were suspicious or were taken aback. One day, all of a sudden, I got to hear about Pathao. At one of their events I signed up as a rider. Pathao gave me the opportunity of helping people through ride sharing.

Tell about your experience with Pathao:

Being a Pathao rider, I meet many kinds of people. While communicating with them, I get to know about the outlook and mind-set of each and every user. There’s a vast scope of learning new things. I once was introduced to a user who was affiliated with a blood donation agency. Because of to that connection, I got the chance to work with him later. On another occasion, I was acquainted with a lady whom I transported from a university to her home. At first, I thought she was a student, but she turned out to be a lecturer. Out of the blue, she instructed me to halt the bike. I was astonished! I was wondering whether I had made some kind of a mistake or not. As I stopped the bike, before I could say anything, she smiled and said that she was just craving some bhelpuri. She also asked me to join her. My surprise knew no limit. All these good behaviour and trust are my biggest achievements.

অগ্রযাত্রার অগ্রদূতঃ জিন্নাত উল ফেরদৌস

পাঠাও চালিয়ে বিভিন্ন রকম মানুষদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। বিভিন্ন ইউজারদের সাথে কথা বলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পারি ও সেখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি।

নামঃ জিন্না্ত উল ফেরদৌস।
বাড়িঃ ঢাকা

আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুনঃ

আমি বড় হয়েছি ঢাকাতেই। আমার বাবা ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে কাজ করতেন। বর্তমানে আমি একটি কোম্পানিতে মার্কেটিং এ কাজ করছি। চারজন সদস্য নিয়ে আমার পরিবার। চাকরীর পাশাপাশি পাঠাও তে রাইড শেয়ার করছি।

পাঠাও কিভাবে আপনার জীবনে পরিবর্তন এনেছে?

যখন আমার নিজস্ব মোটরসাইকেল ছিল না তখন সবার মতো আমাকেও ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকতে হতো। প্রতিদিন রাস্তায় প্রচুর সময় নষ্ট হতো। আশেপাশে কেউ বাইক চালিয়ে গেলে মনে হতো "ইশ! আমাকে যদি একটু বলতো, আসুন ভাই আপনাকে নামিয়ে দেই?” পরে যখন সামর্থ্য হলে নিজের মোটরবাইক কিনেই ফেলি, যেখানেই যেতাম, পথে এমন কাউকে পেলেই বলতাম: "আসেন ভাই, আমিও ঐদিকে যাচ্ছি। চলেন আপনাকে নামিয়ে দেই।’ কিন্তু অধিকাংশ সময়ে যাত্রীরা আমার প্রস্তাব শুনে নিরাপত্তার খাতিরে ইতস্তত বোধ করতেন। হঠাৎ করেই একদিন পাঠাও এর কথা জানলাম। তারপর তাদের এক ইভেন্ট চলাকালীন সময়ে আমি রাইডার হিসেবে সাইন-আপ করি। যখন থেকে পাঠাও আমার জীবনে এসেছে তখন থেকে আমি সহজেই অন্যদের সাথে রাইড শেয়ার করে উপকার করতে পারি।

পাঠাও এর সঙ্গে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কিছু বলুনঃ

আসলে, পাঠাও চালিয়ে বিভিন্ন রকম মানুষদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। বিভিন্ন ইউজারদের সাথে কথা বলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পারি। আমি নিজেও সেখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি। আমার একবার এমন এক ইউজারের সাথে পরিচয় হয়েছিল যিনি একটি রক্তদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। তাই তার সাথে আমার পরবর্তীতে কাজ করার সুযোগ এসেছে। জানিস তো আমি মেডিকেল যন্ত্রাদি বানানোর শিল্পে আছি সে কবে থেকে! আরেকবার আমার এক তরুণীর সাথে পরিচয় হয়, যাকে আমি ইউনিভার্সিটি থেকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম তিনি একজন ছাত্রী কিন্তু না! তিনি একজন শিক্ষিকা। পথে হঠাৎ থামতে বললেন। আমি তো টাসকি খেলাম। কোন ভুল হয়ে গেলো না তো? বাইক থামিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই তিনি হাসি মুখে বললেন, ভেলপুরি খাওয়ার জন্য নেমেছি। আপনিও আসুন। আমার বিস্ময়ের সীমানা রইল না। এই যে ব্যবহার এবং বিশ্বাস সেটাই বড় প্রাপ্তি।