The Pioneers Of Progress: Mesbah Ul Haq

When I was running my business, I had to network with a number of people and through Pathao, the networking game has been even stronger.

*Name: Mesbah Ul Haq
*Hometown: Shibganj

Tell us something about yourself:

I am from Shibganj. I was there till I passed Intermediate. Then I went to Rajshahi from where I finished my BBA and MBA. Previously, I had my own business, followed by a job. Now, I am working as a full time Pathao Rider. I have a happy family with two kids.

How has Pathao affected your life?

When I was looking for jobs in various places, Pathao gave me the opportunity to earn through ride sharing at my preferred time. I never liked desk jobs the way I feel about working outdoors. Moreover as a Pathao rider, I do not have any fixed timetable. I can give rides in my own convenient time. Within 3 months I was able to earn 1 lac taka and within the next 6 months, I repaid all my loans. After being free from debt, I felt a big burden was taken out of me. Someone who has never had the burden of debt on him will never understand this sense of relief. Moreover, I meet many kinds of people by ride sharing everyday. Dhaka is a busy city and everyone is in hurry for some reason. Whenever I take a user to his/her destination on time, seeing their sigh of relief makes me very happy.

Share some special ride sharing stories with us:

It was sharp 11 pm when I accepted a ride request. A female user hailed my bike from Mohakhali. We both were enjoying the ride as we talked a lot about ourselves. Being curious, I asked her, “Aren't you at all afraid of riding behind an unknown person at such a time?” She explained that she is highly grateful to Pathao as she found Pathao to be much safer compared to public transports. At that moment, I was baffled by this revelation but gradually, I understood the logic behind her assertion. I love it the most when I manage to take the users to the destinations in time. I consider a simple thanks from them to be an extraordinary reward for me.

Will you encourage others to join Pathao as a Rider?

Definitely yes! Pathao is an undoubted medium to earn extra cash. You can sustain a family’s expense by simply being a rider. This is especially a golden opportunity for students. I have met a number of riders who are paying their university tuition fees by simply sharing rides on Pathao. Other than that, you can avail the grand opportunity of networking with numerous people of such a large megacity. When I was running my business, I had to network with a number of people and through Pathao, the networking game has been even stronger.

A thousand of riders like me have been highly benefited due to Pathao. On behalf of every one of them, I wish Pathao all the best.

অগ্রযাত্রার অগ্রদূতঃ মেসবাহ উল হক

ব্যবসা চালানোর সময় সর্বদা আমি নতুন ক্লায়েন্ট এবং ব্যবসায়ের সম্ভাব্য পার্টনারদের সাথে পরিচিত হতাম। এখন পাঠাও এর মাধ্যমে আমি আমার নেটওয়ার্ক বাড়িয়ে চলেছি।

*নামঃ মেসবাহ উল হক
*বাড়িঃ শিবগঞ্জ

নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন:

শিবগঞ্জের ছেলে আমি। ইন্টারমিডিয়েট পাস করা পর্যন্ত ছিলাম সেখানেই। এরপর চলে এলাম রাজশাহীতে, সেখান থেকেই পাস করলাম বিবিএ এবং এমবিএ। একটা সময় ব্যবসা করতাম, তারপর চাকরী - আর এখন পাঠাও তে রাইড দিচ্ছি। দুই সন্তানকে নিয়ে আমার পরিবার।

পাঠাও কিভাবে আপনার জীবনকে প্রভাবিত করেছে?

যখন আমি বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য হন্যে হয়ে দৌড়াচ্ছিলাম, সেখানে পাঠাও আমাকে দিয়েছে স্বাধীন হওয়ার সুযোগ। আমি আমার পছন্দমতো সময়ে রাইড শেয়ার করে আয় করতে পারছিলাম। কোনোদিনই আমার ডেস্ক-জব ভালো লাগতো না, কারণ বাইরে কাজ করে অন্যরকম এক শান্তি আছে। তাছাড়া পাঠাও রাইডার হিসেবে আমার সময় বাঁধাধরা ছিলোনা। সুযোগ বুঝে এবং আমার সুবিধামতো আমি রাইড দিতে পারি। দেখতে দেখতেই ৩ মাসের মধ্যে আমি ১ লক্ষ টাকা আয় করলাম এবং পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে আমার সকল ঋণ শোধ করে দিলাম! ঋণমুক্ত হয়ে মনে হল যেন বিশাল বড় এক বোঝা উঠে গিয়েছে। যে ঋণের বোঝার মাথায় নেয়নি, সে কোনোদিনও এই শান্তি বুঝবে না। তাছাড়া, দৈনিক পাঠাও চালিয়ে অনেক ধরণের ইউজার দের সাথে পরিচয় হয়। ঢাকা বড়োই ব্যস্ত শহর, সবারই কোন না কোন তাড়া থাকেই। যখনই কোনো ইউজারকে তাদের গন্তব্যে সময়মতো নামিয়ে দিই, তখন তাদের প্রশান্তির দীর্ঘশ্বাস দেখে নিজের কাছেই বেশ ভালো লাগে।

রাইডার হিসেবে কিছু বিশেষ মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করুন:

একবার রাত ১১টায় একটা রাইড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলাম। মহাখালীর আশপাশ থেকে একজন নারী ইউজার উঠলেন। বেশ গল্প করতে করতে আমরা যাচ্ছিলাম, আর তখন কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করলাম: "এতো রাতে একটি আগন্তুক এর বাইকে চড়তে আপনার ভয় করছে না?"
তিনি জানালেন যে পাঠাও প্লাটফর্মটি থাকায় তিনি বেশ কৃতজ্ঞ। এই প্লাটফর্মটিতে তিনি একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত রাইডারের সাথে বাইকে উঠছেন তবুও তিনি পাবলিক বাহনের থেকে নিরাপদবোধ করেন। ঐসময় ব্যাপারটি আমার কাছে বিভ্রান্তিকর মনে হলেও আমি বুঝলাম যে কথাটির যুক্তি কতখানি। আমার সবচেয়ে ভালো লাগে যখন যাত্রীদের টাইম মতো তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারি। যখন তাঁরা সামান্য ধন্যবাদ দেন, এটাই আমার জন্য অসামান্য ব্যাপার হয়ে উঠে।

আপনি কি অন্য রাইডারদের পাঠাও এ যোগদান করতে অনুপ্রাণিত করবেন?

অবশই! এক্সট্রা আয়ের জন্য পাঠাও একটি পরীক্ষিত মাধ্যম। আপনার সংসার আপনি চালাতে পারবেন শুধুমাত্র রাইডস্‌ দিয়ে। বিশেষ করে যারা ছাত্র মানুষ তাদের জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ। আমি এমন অনেক রাইডারকেই দেখেছি যারা ছাত্রাবস্থায় ইউনিভার্সিটির টিউশন ফী বহনের জন্য রাইডস দিচ্ছে। রাইডস শেয়ার করার মাধ্যমে সারা শহরের বহু মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া যায়। ব্যবসা চালানোর সময় আমি হরদম নতুন ক্লায়েন্ট এবং ব্যবসায়ের সম্ভাব্য পার্টনারদের সাথে পরিচিত হতাম। এখন পাঠাও এর মাধ্যমে আমি আমার নেটওয়ার্ক বাড়িয়ে চলেছি।

পাঠাও আসাতে আমার মত হাজারো রাইডারদের অনেক উপকার হয়েছে। পাঠাও এর জন্যে অনেক অনেক দোয়া রইলো আমাদের সবার!